কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :আন্ত:ফসল হিসেবে চীনাবাদামেরর সাথে পাতা পেঁয়াজের চাষ পদ্ধতি
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ:
প্রযুক্তির উপযোগিতা: চরাঞ্চল, উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি রবি ও খরিপ মৌসুম।
বপন সময়: বাদাম : মধ্য নভেম্বর - শেষ ডিসেম্বর পাতা পেঁয়াজ বাদাম বপনের সময় ৩০ থেকে ৪০ দিনের চারা রোপন করতে হবে।
উল্লিখিত সবটুকু সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে।
আগাছা দমন: প্রয়োজন অনুযায়ী ১ হতে ২ বার আগাছা দমন করতে হবে।
বাদামের রোগ সমূহ ও দমন ব্যবস্থা: পাতা দাগ পড়া, মরিচা ও কান্ড পচা রোগ প্রধান।
মরিচা রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে টিল্ট/কন্টাফ শতকরা ০.০৫ ভাগ হারে (০.৫ মিলি/লি. হারে) ১৫ দিন অন্তর তিনবার ছিটালে রোগের প্রকোপ কমে যায়।
পাতায় দাগ: রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে গাছে বেভিষ্টিন (১গ্রাম হারে) কন্টাফ (০.৫ মিলি হারে) প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ৩ বার ছিটালে এ রোগের অনিষ্ট থেকে ফসলকে রক্ষা করা যায়।
কান্ড পচা রোগ এর জন্য: বীজ বপনের পূর্বে ভিটাভেক্স-২০০/প্রোভেক্স নামক ছত্রাকনাশক দিয়ে শতকরা ০.২৫ ভাগ হারে (২.৫ গ্রাম ছত্রাকনাশক/কেজি বীজ) বীজ শোধনের মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় রোগের প্রকোপ কমানো যায়।
পাতা পেঁয়াজের রোগ দমন ব্যবস্থা: বারি পাতা পেঁয়াজ-১ এ তেমন কোন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায় না বললেই চলে।
ফসল কর্তনের সময়: ১. বাদাম: মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে। ২. পাতা পেঁয়াজ: ৪ থেকে ৫ বার কর্তন করা যায়।
ফলন: বাদামের সমতুল্য ফলন সর্বোচ্চ ৩.০ টন/হেক্টর এবং লাভ খরচের অনুপাত ৩.০৪
বৈশিষ্ট্য সমূহ: ১. একই জমিতে এক সাথে ২টি ফসলের চাষ। ২. এক সাথে ভিটামিন ও তেলের সংস্থান। ৩. জমির সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করণ। ৪. শস্য নিবিড়তা বাড়ানো। ৫. উৎপাদন ও আয় বাড়ানো।
আন্ত:ফসল হিসেবে চীনাবাদামের সাথে পাতা পেঁয়াজের চাষ পদ্ধতি
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ:
প্রযুক্তির উপযোগিতা: চরাঞ্চল, উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি রবি ও খরিপ মৌসুম।
বপন সময়: বাদাম : মধ্য নভেম্বর - শেষ ডিসেম্বর পাতা পেঁয়াজ বাদাম বপনের সময় ৩০ থেকে ৪০ দিনের চারা রোপন করতে হবে।
| সারের মাত্রা | ইউরিয়া | টিএসপি | এমওপি | জিপসাম | বরিক এসিড |
| হেক্টর প্রতি (কেজি) | ২৫ | ১৬০ | ৮৫ | ৩০০ | ১০ |
উল্লিখিত সবটুকু সার শেষ চাষের সময় প্রয়োগ করতে হবে।
আগাছা দমন: প্রয়োজন অনুযায়ী ১ হতে ২ বার আগাছা দমন করতে হবে।
বাদামের রোগ সমূহ ও দমন ব্যবস্থা: পাতা দাগ পড়া, মরিচা ও কান্ড পচা রোগ প্রধান।
মরিচা রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে টিল্ট/কন্টাফ শতকরা ০.০৫ ভাগ হারে (০.৫ মিলি/লি. হারে) ১৫ দিন অন্তর তিনবার ছিটালে রোগের প্রকোপ কমে যায়।
পাতায় দাগ: রোগ দেখা দেয়ার সাথে সাথে গাছে বেভিষ্টিন (১গ্রাম হারে) কন্টাফ (০.৫ মিলি হারে) প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ৩ বার ছিটালে এ রোগের অনিষ্ট থেকে ফসলকে রক্ষা করা যায়।
কান্ড পচা রোগ এর জন্য: বীজ বপনের পূর্বে ভিটাভেক্স-২০০/প্রোভেক্স নামক ছত্রাকনাশক দিয়ে শতকরা ০.২৫ ভাগ হারে (২.৫ গ্রাম ছত্রাকনাশক/কেজি বীজ) বীজ শোধনের মাধ্যমে প্রাথমিক অবস্থায় রোগের প্রকোপ কমানো যায়।
পাতা পেঁয়াজের রোগ দমন ব্যবস্থা: বারি পাতা পেঁয়াজ-১ এ তেমন কোন রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায় না বললেই চলে।
ফসল কর্তনের সময়: ১. বাদাম: মধ্য এপ্রিল থেকে মধ্য মে। ২. পাতা পেঁয়াজ: ৪ থেকে ৫ বার কর্তন করা যায়।
ফলন: বাদামের সমতুল্য ফলন সর্বোচ্চ ৩.০ টন/হেক্টর এবং লাভ খরচের অনুপাত ৩.০৪
বৈশিষ্ট্য সমূহ: ১. একই জমিতে এক সাথে ২টি ফসলের চাষ। ২. এক সাথে ভিটামিন ও তেলের সংস্থান। ৩. জমির সর্বোত্তম ও সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করণ। ৪. শস্য নিবিড়তা বাড়ানো। ৫. উৎপাদন ও আয় বাড়ানো।
আন্ত:ফসল হিসেবে চীনাবাদামের সাথে পাতা পেঁয়াজের চাষ পদ্ধতি
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।