কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :সয়াবিনের প্রধান ক্ষতিকর পোকা সমূহের দমন ব্যবস্থাপনা
বিস্তারিত বিবরণ :
ভূমিকা: সয়াবিন বাংলাদেশের একটি অন্যতম তেল ফসল। এ ফসল উৎপাদন করে কৃষক তেলের ঘাটতি পূরনে অবদান রাখতে পারে। কিন্তু সয়াবিন চাষাবাদের জন্য কৃষকগন কিছু সমস্যার সম্মূখিন হয় তার মধ্যে পোকামাকড়ের আক্রমন অন্যতম। ক্ষতিকর পোকামাকড়ের মধ্যে ফুলের ও ডগার থ্রিপস, পাতার সাদা মাছি ও জ্যাসিড পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, বিছা পোকা, সাধারণ কাটুই পোকা অন্যতম। এ সমস্ত পোকামাকড় ফসলের বিভিন্ন পর্যায়ে আক্রমন করে ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে।
উপযোগি এলাকা: বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলের নোয়াখালী, লক্ষীপুর জেলা ও সয়াবিন উৎপাদনকারী সকল এলাকা।
প্রযুক্তির উপযোগিতা: চরাঞ্চল, উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি, রবি ও খরিপ মৌসুম।
অর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট: দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকগণ যততত্র ভাবে বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করে সয়াবিনের এ সমস্ত পোকা দমন করার চেষ্টা করে থাকে। যেহেতু বিভিন্ন পোকার আক্রমন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয় এবং আক্রমন ও ক্ষতিকরার ধরন সম্পূর্ন আলাদা তাই কৃষকগন পোকা দমনে সফল হচ্ছে না। এমতাবস্থায় তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুরের কীটতত্ত্ব বিভাগের বিজ্ঞানীগন সয়াবিনের প্রধান ক্ষতিকর পোকামাকড় সমূহ দমনের জন্য আইপিএম বা সমন্ধিত বালাই দমন পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকরী, কম খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে একটি সহজ পদ্ধতি উদ্ভাবন করছেন।
দমন ব্যবস্থাপনা: ক) সাধারন কাটুই পোকা এবং বিছা পোকার কীড়া আক্রান্ত পাতা এবং ডগা হাত বাছাই করতে হবে। খ) প্রতি বিঘায় দশ মিটার পর পর ৮-১০টি বাঁশের আগা/কঞ্চি পুতে দিতে হবে যাতে পাখি বসে কীড়া খেয়ে ফেলতে পারে। গ) সাধারণ কাটুই পোকা দমনে দশ মিটার পর পর বিঘা প্রতি ৮-১০টি ফেরোমন ফাঁদ (স্পোডো লিউর) ব্যবহার করতে হবে। ঘ) কীটনাশকের ব্যবহার: সয়াবিন বপনের ৩৫-৪০ দিন পর সিলেস্ট্রাস এঙ্গুলেটাস ১% ই ডব্লিউ (বায়ো চমক) ২.৫ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ২ বার স্প্রে করলে পাতা মোড়ানো ও বিছা পোকার পাশাপাশি অন্যান্য শোষক পোকা ও দমন করা যাবে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষিনাঞ্চলের সয়াবিন ফসলে শোষক পোকা, সাধারণ কাটুই পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা এবং বিছা পোকা খুব সহজেই কার্যকারীভাবে কম খরচে, পরিবেশ সম্মত উপায়ে দমন করা যায়।
প্রযুক্তি হতে ফলন/প্রাপ্তি: অল্প খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে সয়াবিন ফসলের প্রধান ক্ষতিকর পোকা সমূহ কার্যকরভাবে দমনের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
প্রযুক্তির প্রভাব: এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উপকুলীয় এলাকাসহ সয়াবিন উৎপাদনকারী সকল এলাকায় কৃষকগন সমন্বিত ভাবে অল্প খরচে সয়াবিনের পোকামাকড় দমনের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিসহ আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে।
বৈশিষ্ট্য সমূহ:এ প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সঠিক সময়ে সয়াবিনের প্রধান ক্ষতিকর পোকা সমূহকে খুব সহজে কম খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে দমন করা যায়।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
ভূমিকা: সয়াবিন বাংলাদেশের একটি অন্যতম তেল ফসল। এ ফসল উৎপাদন করে কৃষক তেলের ঘাটতি পূরনে অবদান রাখতে পারে। কিন্তু সয়াবিন চাষাবাদের জন্য কৃষকগন কিছু সমস্যার সম্মূখিন হয় তার মধ্যে পোকামাকড়ের আক্রমন অন্যতম। ক্ষতিকর পোকামাকড়ের মধ্যে ফুলের ও ডগার থ্রিপস, পাতার সাদা মাছি ও জ্যাসিড পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা, বিছা পোকা, সাধারণ কাটুই পোকা অন্যতম। এ সমস্ত পোকামাকড় ফসলের বিভিন্ন পর্যায়ে আক্রমন করে ব্যাপক ক্ষতি করে থাকে।
উপযোগি এলাকা: বাংলাদেশের দক্ষিনাঞ্চলের নোয়াখালী, লক্ষীপুর জেলা ও সয়াবিন উৎপাদনকারী সকল এলাকা।
প্রযুক্তির উপযোগিতা: চরাঞ্চল, উঁচু ও মাঝারি উঁচু জমি, রবি ও খরিপ মৌসুম।
অর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট: দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকগণ যততত্র ভাবে বিষাক্ত কীটনাশক ব্যবহার করে সয়াবিনের এ সমস্ত পোকা দমন করার চেষ্টা করে থাকে। যেহেতু বিভিন্ন পোকার আক্রমন ভিন্ন ভিন্ন সময়ে হয় এবং আক্রমন ও ক্ষতিকরার ধরন সম্পূর্ন আলাদা তাই কৃষকগন পোকা দমনে সফল হচ্ছে না। এমতাবস্থায় তৈলবীজ গবেষণা কেন্দ্র, বিএআরআই, গাজীপুরের কীটতত্ত্ব বিভাগের বিজ্ঞানীগন সয়াবিনের প্রধান ক্ষতিকর পোকামাকড় সমূহ দমনের জন্য আইপিএম বা সমন্ধিত বালাই দমন পদ্ধতি ব্যবহারের মাধ্যমে কার্যকরী, কম খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে একটি সহজ পদ্ধতি উদ্ভাবন করছেন।
দমন ব্যবস্থাপনা: ক) সাধারন কাটুই পোকা এবং বিছা পোকার কীড়া আক্রান্ত পাতা এবং ডগা হাত বাছাই করতে হবে। খ) প্রতি বিঘায় দশ মিটার পর পর ৮-১০টি বাঁশের আগা/কঞ্চি পুতে দিতে হবে যাতে পাখি বসে কীড়া খেয়ে ফেলতে পারে। গ) সাধারণ কাটুই পোকা দমনে দশ মিটার পর পর বিঘা প্রতি ৮-১০টি ফেরোমন ফাঁদ (স্পোডো লিউর) ব্যবহার করতে হবে। ঘ) কীটনাশকের ব্যবহার: সয়াবিন বপনের ৩৫-৪০ দিন পর সিলেস্ট্রাস এঙ্গুলেটাস ১% ই ডব্লিউ (বায়ো চমক) ২.৫ মি.লি./লিটার পানিতে মিশিয়ে ১৫ দিন অন্তর ২ বার স্প্রে করলে পাতা মোড়ানো ও বিছা পোকার পাশাপাশি অন্যান্য শোষক পোকা ও দমন করা যাবে। এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দক্ষিনাঞ্চলের সয়াবিন ফসলে শোষক পোকা, সাধারণ কাটুই পোকা, পাতা মোড়ানো পোকা এবং বিছা পোকা খুব সহজেই কার্যকারীভাবে কম খরচে, পরিবেশ সম্মত উপায়ে দমন করা যায়।
প্রযুক্তি হতে ফলন/প্রাপ্তি: অল্প খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে সয়াবিন ফসলের প্রধান ক্ষতিকর পোকা সমূহ কার্যকরভাবে দমনের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধি করা সম্ভব।
প্রযুক্তির প্রভাব: এ প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে উপকুলীয় এলাকাসহ সয়াবিন উৎপাদনকারী সকল এলাকায় কৃষকগন সমন্বিত ভাবে অল্প খরচে সয়াবিনের পোকামাকড় দমনের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধিসহ আর্থিকভাবে লাভবান হতে পারে।
বৈশিষ্ট্য সমূহ:এ প্রযুক্তির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো সঠিক সময়ে সয়াবিনের প্রধান ক্ষতিকর পোকা সমূহকে খুব সহজে কম খরচে এবং পরিবেশ সম্মত উপায়ে দমন করা যায়।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।