কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :জাল (Net) ব্যবহার করে ফসলের পাখি তড়ানো
বিস্তারিত বিবরণ :
গম ক্ষেতে শালিক পাখির উপদ্রব হয়। বীজ বুনার ৫/৬ দিন পর গমের অংকুর বের হয়। কোন কোন এলাকায় শালিক পাখি এ অংকুরিত গম বীজ তুলে খেয়ে ফেলে। পাকা টমেটো ক্ষেতেও পাখির উপদ্রব হয়। ভুট্টা ক্ষেতে টিয়া ও কাকের উপদ্রব হয়। এরা ভুট্টার মোচা খেয়ে ফেলে ফসলের ক্ষতি করে। তেমনি ভাবে সূর্যমুখী ক্ষেতে ও কাক টিয়া পাখি পরিপক্ক বীজ খেয়ে ফেলে। যেহেতু এসব পাখি ফসলের ক্ষতির পাশাপাশি যথেষ্ট উপকারও করে থাকে তাই পাখিকে না মেরে ফসলের ক্ষেত থেকে তাড়িয়ে ফসল রক্ষা করাই একমাত্র উপায়। এই পদ্ধতিটি মাঠ ফসলের যেখানে পাখির অক্রমন আছে, সেখানেই ব্যবহার যোগ্য।
উপযোগীতা: বাংলাদেশের সব এলাকায়, সারা বছর ব্যবহার উপযোগী। ইহা একটি কার্যকর পাখি তাড়ানোর পদ্ধতি। এই পদ্ধতি ফসলের চারা ও পরিপক্ক অবস্থায়ব্যবহার করা যায়। ফসলে এটি দুই ভাবে ব্যবহার করা যায়। সর্ম্পুন ফসলের মাঠ নেট বা জাল দিয়ে ঢেকে দিয়ে অথবা শুধু ফসলের উপরিভাগ নেট দিয়ে ঢেকে। সর্ম্পুন মাঠ ঢেকে দিলে ফসলে পাখির দ্বারা কোন ক্ষতি হয় না। শুধু উপরিভাগ নেট দিয়ে ঢেকে দিয়েও অথৃনৈতিক ভাবে পাখির ক্ষতির পরিমান অনেক কমানো যায়। ফসলে ফল/দানা অসার পরপরই গাছের এক ফুট উপরে জাল টানিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে এক মেস বা এর নীচে জাল ব্যবহার করা ভালো, এতে পাখি আটকে যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। যত্ন করে রাখলে এই নেট কয়েক বছর ব্যবহার করা যায়।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সফলভাবে পাখির ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষা করা যাবে। কোন বিষ ব্যবহার না করে নিরাপদে, কম খরচে পাখি তাড়ানো সম্ভব হবে। এ পদ্ধতিতে প্রায় ৭০-১০০ ভাগ পর্যন্ত কার্যকর ভাবে পাখি তাড়ানো যাবে।
মানব স্বাস্থ্য, মাটি ও পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না। সমন্বিত ও পরিবেশসম্মতভাবে পাখি ব্যবস্থাপনার একটি উপায় হিসাবে এটি ব্যবহার করা যাবে।
সম্পুর্ন ফসল নেট দিয়ে ঢেকে
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
গম ক্ষেতে শালিক পাখির উপদ্রব হয়। বীজ বুনার ৫/৬ দিন পর গমের অংকুর বের হয়। কোন কোন এলাকায় শালিক পাখি এ অংকুরিত গম বীজ তুলে খেয়ে ফেলে। পাকা টমেটো ক্ষেতেও পাখির উপদ্রব হয়। ভুট্টা ক্ষেতে টিয়া ও কাকের উপদ্রব হয়। এরা ভুট্টার মোচা খেয়ে ফেলে ফসলের ক্ষতি করে। তেমনি ভাবে সূর্যমুখী ক্ষেতে ও কাক টিয়া পাখি পরিপক্ক বীজ খেয়ে ফেলে। যেহেতু এসব পাখি ফসলের ক্ষতির পাশাপাশি যথেষ্ট উপকারও করে থাকে তাই পাখিকে না মেরে ফসলের ক্ষেত থেকে তাড়িয়ে ফসল রক্ষা করাই একমাত্র উপায়। এই পদ্ধতিটি মাঠ ফসলের যেখানে পাখির অক্রমন আছে, সেখানেই ব্যবহার যোগ্য।
উপযোগীতা: বাংলাদেশের সব এলাকায়, সারা বছর ব্যবহার উপযোগী। ইহা একটি কার্যকর পাখি তাড়ানোর পদ্ধতি। এই পদ্ধতি ফসলের চারা ও পরিপক্ক অবস্থায়ব্যবহার করা যায়। ফসলে এটি দুই ভাবে ব্যবহার করা যায়। সর্ম্পুন ফসলের মাঠ নেট বা জাল দিয়ে ঢেকে দিয়ে অথবা শুধু ফসলের উপরিভাগ নেট দিয়ে ঢেকে। সর্ম্পুন মাঠ ঢেকে দিলে ফসলে পাখির দ্বারা কোন ক্ষতি হয় না। শুধু উপরিভাগ নেট দিয়ে ঢেকে দিয়েও অথৃনৈতিক ভাবে পাখির ক্ষতির পরিমান অনেক কমানো যায়। ফসলে ফল/দানা অসার পরপরই গাছের এক ফুট উপরে জাল টানিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে এক মেস বা এর নীচে জাল ব্যবহার করা ভালো, এতে পাখি আটকে যাওয়ার সম্ভবনা কম থাকে। যত্ন করে রাখলে এই নেট কয়েক বছর ব্যবহার করা যায়।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারে সফলভাবে পাখির ক্ষতি থেকে ফসল রক্ষা করা যাবে। কোন বিষ ব্যবহার না করে নিরাপদে, কম খরচে পাখি তাড়ানো সম্ভব হবে। এ পদ্ধতিতে প্রায় ৭০-১০০ ভাগ পর্যন্ত কার্যকর ভাবে পাখি তাড়ানো যাবে।
মানব স্বাস্থ্য, মাটি ও পরিবেশের কোন ক্ষতি হবে না। সমন্বিত ও পরিবেশসম্মতভাবে পাখি ব্যবস্থাপনার একটি উপায় হিসাবে এটি ব্যবহার করা যাবে।
সম্পুর্ন ফসল নেট দিয়ে ঢেকে
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।