কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :মিঠা পানি এবং লবণাক্ত পানির পর্যায়ক্রমিক সেচের মাধ্যমে উপকূলীয় লবণাক্ত অঞ্চলে ফসল উৎপাদন
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ :
• বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে অসংখ্য খাল ও পুকুর রয়েছে। উক্ত খাল ও পুকুরের পানি বিভিন্ন মাত্রার লবনাক্ততা বিদ্যমান। খালগুলো নদীর সাথে সংযোগ থাকায় জোয়ারের সময় লোনা পানি প্রবেশ করে। আবার কিছু খাল গেইট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকায় জোয়ারের লোনা পানি প্রবেশ করতে পারে না। পুকুরে শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি জমা থাকে। বর্ষাকালে জুলাই-আগস্ট মাসে পানি ও ফসলের জমির লবনাক্ততা সবচেয়ে কম থাকে। পরবর্তী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস থেকে বৃদ্ধি পেয়ে লবনাক্ততা মার্চ-এপ্রিলে সবচেয়ে বেশী হয়।
• বৃষ্টির পানি সংরক্ষিত পুকুরের পানির লবনাক্ততা ০.৫ ডিএস/মি হতে ২ ডিএস/মি বা তার কাছাকাছি থাকে এবং নিয়ন্ত্রিত খালের বৃষ্টির পানি ০.৫ ডিএস/মি হতে ৫ ডিএস/মি বা তার কাছাকাছি মাত্রায় থাকে।
• রবি মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় লবনাক্ততা বেড়ে যায় ফলে সেচ উপযোগী মিঠা পানির ঘাটতি দেখা যায়। রবি মৌসুমে সেচ ছাড়া ভাল ফলন আশা করা যায় না। মিঠা পানির খাটতিজনিত কারণে শুধুমাত্র খালের মাঝারি লবন মাত্রার লোনা পানি ব্যবহার করলে আশানুরপ ফলন পাওয়া যায় না।
• গবেষণায় দেখা যায় যে, পর্যায়ক্রমিক মিঠা পানি (উৎসঃ পুকুর বা নিয়ন্ত্রিত খাল) ও দ্বিতীয় সেচ লোনা পানি (উৎসঃ মাঝারি লবণানাতা পানি) এবং তৃতীয় সেচ পুনরায় মিঠা পানি ইত্যাদি চক্রাকার বা পর্যায়ক্রমিক সেচের মাধ্যমে রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল চাষে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যায়।
• বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আমন ফসলের পরে রবি শস্য চাষের জন্য সম্ভাবনাময়য় এই প্রযুক্তি ব্যবহারে অধিক ফসল ফলানো সম্ভব এবং কৃষক অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে।
• সেচের পানি বাস্পায়ন জনিত কারণে অপচয় রোধকল্পে ফসলের জমিতে সেচ সকালে অথবা বিকালে প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া, প্রচন্ড তাপমাত্রার রৌদ্রের সময় ফসলের জমিতে যাতে সেচ দেয়া না হয় সেদিকে সতর্ক অবলম্বন উচিৎ।
বৈশিষ্ট্য সমুহ :
• উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় রবি ফসলের বিভিন্ন বৃদ্ধি পর্যায়ে মিঠা পানি (কম লবণাক্ত: ০.৫ ≠ লবণাক্ততা < ২ ডিএস/মি) এবং লবণাক্ত পানি (মাঝারি লবণাক্ত: ২ < লবণাক্ততা < ৫ ডি এস/মি) পর্যায়ক্রমিক (মিঠা পানি + লবণাক্ত পানি + মিঠা পানি + লবণাক্ত পানি ..) সেচের মাধ্যমে রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল জন্মানো ও শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি করা যায়।
• রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল যেমনঃ আলু, রসুন, তরমুজ, সূর্যমুখী, ভুট্টা, গম, এবং বার্লি ইত্যাদিতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাঙ্খিত ফসল ও ফলন পাওয়া যায়।
• এই প্রযুক্তিটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পতিত জমি ফসল চাষ করে শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি করার জন্য বিকল্প সেচ এবং কৌশল হতে পারে যা লবণাক্ত এলাকায় প্রতি বছর একটি ফসলের পরিবর্তে দুটি ফসল চাষ করা যেতে পারে।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
বিস্তারিত বিবরণ :
• বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলসমূহে অসংখ্য খাল ও পুকুর রয়েছে। উক্ত খাল ও পুকুরের পানি বিভিন্ন মাত্রার লবনাক্ততা বিদ্যমান। খালগুলো নদীর সাথে সংযোগ থাকায় জোয়ারের সময় লোনা পানি প্রবেশ করে। আবার কিছু খাল গেইট দ্বারা নিয়ন্ত্রিত থাকায় জোয়ারের লোনা পানি প্রবেশ করতে পারে না। পুকুরে শুধুমাত্র বৃষ্টির পানি জমা থাকে। বর্ষাকালে জুলাই-আগস্ট মাসে পানি ও ফসলের জমির লবনাক্ততা সবচেয়ে কম থাকে। পরবর্তী নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস থেকে বৃদ্ধি পেয়ে লবনাক্ততা মার্চ-এপ্রিলে সবচেয়ে বেশী হয়।
• বৃষ্টির পানি সংরক্ষিত পুকুরের পানির লবনাক্ততা ০.৫ ডিএস/মি হতে ২ ডিএস/মি বা তার কাছাকাছি থাকে এবং নিয়ন্ত্রিত খালের বৃষ্টির পানি ০.৫ ডিএস/মি হতে ৫ ডিএস/মি বা তার কাছাকাছি মাত্রায় থাকে।
• রবি মৌসুমে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় লবনাক্ততা বেড়ে যায় ফলে সেচ উপযোগী মিঠা পানির ঘাটতি দেখা যায়। রবি মৌসুমে সেচ ছাড়া ভাল ফলন আশা করা যায় না। মিঠা পানির খাটতিজনিত কারণে শুধুমাত্র খালের মাঝারি লবন মাত্রার লোনা পানি ব্যবহার করলে আশানুরপ ফলন পাওয়া যায় না।
• গবেষণায় দেখা যায় যে, পর্যায়ক্রমিক মিঠা পানি (উৎসঃ পুকুর বা নিয়ন্ত্রিত খাল) ও দ্বিতীয় সেচ লোনা পানি (উৎসঃ মাঝারি লবণানাতা পানি) এবং তৃতীয় সেচ পুনরায় মিঠা পানি ইত্যাদি চক্রাকার বা পর্যায়ক্রমিক সেচের মাধ্যমে রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল চাষে আশানুরুপ ফলন পাওয়া যায়।
• বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে আমন ফসলের পরে রবি শস্য চাষের জন্য সম্ভাবনাময়য় এই প্রযুক্তি ব্যবহারে অধিক ফসল ফলানো সম্ভব এবং কৃষক অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হবে।
• সেচের পানি বাস্পায়ন জনিত কারণে অপচয় রোধকল্পে ফসলের জমিতে সেচ সকালে অথবা বিকালে প্রয়োগ করতে হবে। তাছাড়া, প্রচন্ড তাপমাত্রার রৌদ্রের সময় ফসলের জমিতে যাতে সেচ দেয়া না হয় সেদিকে সতর্ক অবলম্বন উচিৎ।
বৈশিষ্ট্য সমুহ :
• উপকূলীয় লবণাক্ত এলাকায় রবি ফসলের বিভিন্ন বৃদ্ধি পর্যায়ে মিঠা পানি (কম লবণাক্ত: ০.৫ ≠ লবণাক্ততা < ২ ডিএস/মি) এবং লবণাক্ত পানি (মাঝারি লবণাক্ত: ২ < লবণাক্ততা < ৫ ডি এস/মি) পর্যায়ক্রমিক (মিঠা পানি + লবণাক্ত পানি + মিঠা পানি + লবণাক্ত পানি ..) সেচের মাধ্যমে রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল জন্মানো ও শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি করা যায়।
• রবি মৌসুমে বিভিন্ন ফসল যেমনঃ আলু, রসুন, তরমুজ, সূর্যমুখী, ভুট্টা, গম, এবং বার্লি ইত্যাদিতে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাঙ্খিত ফসল ও ফলন পাওয়া যায়।
• এই প্রযুক্তিটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে পতিত জমি ফসল চাষ করে শস্য নিবিড়তা বৃদ্ধি করার জন্য বিকল্প সেচ এবং কৌশল হতে পারে যা লবণাক্ত এলাকায় প্রতি বছর একটি ফসলের পরিবর্তে দুটি ফসল চাষ করা যেতে পারে।
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।