কৃষি প্রযুক্তি ভাণ্ডার
প্রযুক্তির বিবরণ
প্রযুক্তির নাম :আন্তঃফসল হিসেবে মরিচের সাথে পেঁয়াজের চাষ
বিস্তারিত বিবরণ :
উৎপাদন প্রযুক্তি
বিষয়:বিবরন
ফসল:মরিচ ও পেঁয়াজ
মাটি:সেঁচ ও নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ উর্বর বেলে দোঁআশ থেকে এটেল দোঁআশ মাটি চাষাবাদের জন্য উত্তম।
ফসলের জাত
মরিচ:বারি মরিচ-৩ অথবা যে কোন উচ্চ ফলনশীল জাত
পেঁয়াজ:বারি পেঁয়াজ-৬ অথবা যে কোন উচ্চ ফলনশীল জাত
বপন/রোপনের সময় : অক্টোবর- নভেম্বর মাস
মরিচ : সারি থেকে সারি ৫০ সে.মি. গাছ থেকে গাছ ৫০ সে.মি.
পেঁয়াজ : সারি থেকে সারি ১৫ সে.মি. গাছ থেকে গাছ ১০ সে. মি.
বপন/রোপন পদ্ধতি : দুই সারি মরিচের মাঝখানে পেঁয়াজের দুই সারি (১৫ সে.মি. ১০সে.মি.) দিতে হবে।
বীজ হার (কেজি/ হেক্টর) : মরিচ-১-১.৫ কেজি/হেঃ (বীজ), প্রতি হেক্টর জমিতে ৪০,০০০ চারা প্রয়োজন : পেঁয়াজ- ১-১.৫ কেজি/হেঃ বীজ, ৩-৫ টন কন্দ/হেক্টর
সার : মরিচ ও পেঁয়াজের আন্তঃফসলে সারের পরিমাণ
সার প্রয়োগ পদ্ধতি : শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর বা কম্পোস্ট, টিএসপি, জিপসাম, বোরিক এসিড ৬৫ কেজি ও এমওপি সার জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি এমওপি ও ইউরিয়া সার (৩ টি কিস্তিতে) যথাক্রমে চারা লাগানো ২৫, ৫০ এবং ৭৫ দিন পর ছকে উল্লেখিত পরিমানে পার্শ্ব প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
সেচ : প্রয়োজন মত মাটিতে সেচ দিতে হবে। ফসল উঠানোর একমাস পূর্বে সেচ দেয়া বন্ধ করতে হবে।
আগাছা দমন : আন্তঃফসলে সাধারনত আগাছার উপদ্রব কম হয়। জমিতে আগাছার উপদ্রবের ভিত্তিতে ২ বার নিড়ানি দিতে হবে।
ফসল সংগ্রহ : ৭০-৮০ দিনের সময় সাধারনত কাঁচামরিচ সংগ্রহ শুরু হয় এবং এক সপ্তাহ পর পর কয়েকবার মরিচ সংগ্রহ করা যায়। পেঁয়াজ জাতভেদে রোপনের ৯০-১১০ দিন পর সংগ্রহের উপযোগী হয়।
মরিচের সমতুল্য ফলন : একক মরিচ: ৯.১৩ টন/হেঃ : মরিচ+পেঁয়াজ আন্তঃফসল: ১৬.৮৮ টন/হেঃ
প্রতি কেজি মরিচ: ৪০/-, পেঁয়াজ: ৩০/-
মরিচের সাথে পেঁয়াজের আন্তঃফসল
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।
বিস্তারিত বিবরণ :
উৎপাদন প্রযুক্তি
বিষয়:বিবরন
ফসল:মরিচ ও পেঁয়াজ
মাটি:সেঁচ ও নিষ্কাশনের সুবিধাযুক্ত জৈব পদার্থ সমৃদ্ধ উর্বর বেলে দোঁআশ থেকে এটেল দোঁআশ মাটি চাষাবাদের জন্য উত্তম।
ফসলের জাত
মরিচ:বারি মরিচ-৩ অথবা যে কোন উচ্চ ফলনশীল জাত
পেঁয়াজ:বারি পেঁয়াজ-৬ অথবা যে কোন উচ্চ ফলনশীল জাত
বপন/রোপনের সময় : অক্টোবর- নভেম্বর মাস
মরিচ : সারি থেকে সারি ৫০ সে.মি. গাছ থেকে গাছ ৫০ সে.মি.
পেঁয়াজ : সারি থেকে সারি ১৫ সে.মি. গাছ থেকে গাছ ১০ সে. মি.
বপন/রোপন পদ্ধতি : দুই সারি মরিচের মাঝখানে পেঁয়াজের দুই সারি (১৫ সে.মি. ১০সে.মি.) দিতে হবে।
বীজ হার (কেজি/ হেক্টর) : মরিচ-১-১.৫ কেজি/হেঃ (বীজ), প্রতি হেক্টর জমিতে ৪০,০০০ চারা প্রয়োজন : পেঁয়াজ- ১-১.৫ কেজি/হেঃ বীজ, ৩-৫ টন কন্দ/হেক্টর
সার : মরিচ ও পেঁয়াজের আন্তঃফসলে সারের পরিমাণ
| সারের নাম | পরিমাণ (কেজি/হেক্টর) | শেষ চাষের সময় (কেজি) | সারের উপরিপ্রয়োগ (কেজি) | ||
| ১ম কিস্তি | ২য় কিস্তি | ৩য় কিস্তি | |||
| গোবর বা কম্পোস্ট | ৫ | সম্পূর্ন | - | - | - |
| ইউরিয়া (গ্রাম) | ২১০ | - | ৭০ | ৭০ | ৭০ |
| টিএসপি | ৩৩০ | সম্পূর্ণ | - | - | - |
| এমওপি | ২০০ | ৬৫ | ৪৫ | ৪৫ | ৪৫ |
| জিপসাম (গ্রাম) | ১১০ | সম্পূর্ণ | - | - | - |
| বোরিক এসিড | ১০ | সম্পূর্ণ | - | - | - |
সার প্রয়োগ পদ্ধতি : শেষ চাষের সময় সম্পূর্ণ গোবর বা কম্পোস্ট, টিএসপি, জিপসাম, বোরিক এসিড ৬৫ কেজি ও এমওপি সার জমিতে সমানভাবে ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। বাকি এমওপি ও ইউরিয়া সার (৩ টি কিস্তিতে) যথাক্রমে চারা লাগানো ২৫, ৫০ এবং ৭৫ দিন পর ছকে উল্লেখিত পরিমানে পার্শ্ব প্রয়োগ করে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
সেচ : প্রয়োজন মত মাটিতে সেচ দিতে হবে। ফসল উঠানোর একমাস পূর্বে সেচ দেয়া বন্ধ করতে হবে।
আগাছা দমন : আন্তঃফসলে সাধারনত আগাছার উপদ্রব কম হয়। জমিতে আগাছার উপদ্রবের ভিত্তিতে ২ বার নিড়ানি দিতে হবে।
ফসল সংগ্রহ : ৭০-৮০ দিনের সময় সাধারনত কাঁচামরিচ সংগ্রহ শুরু হয় এবং এক সপ্তাহ পর পর কয়েকবার মরিচ সংগ্রহ করা যায়। পেঁয়াজ জাতভেদে রোপনের ৯০-১১০ দিন পর সংগ্রহের উপযোগী হয়।
মরিচের সমতুল্য ফলন : একক মরিচ: ৯.১৩ টন/হেঃ : মরিচ+পেঁয়াজ আন্তঃফসল: ১৬.৮৮ টন/হেঃ
| বপন পদ্ধতি | মোট আয় (টাকা/হে:) | মোট ব্যয় (টাকা/হে:) | প্রকৃত মৃনাফা (টাকা/হে:) | আয়-ব্যয় অনুপাত | |
| একক মরিচ | ৩৬৫২০০ | ১৩৫২৫০ | ২২৯৯৫০ | ২.৭০ | |
| মরিচ+পেঁয়াজ | ৬৭৫২০০ | ১৮৬২০০ | ৪৮৯০০০ | ৩.৬৩ | ৬০কেজি |
মরিচের সাথে পেঁয়াজের আন্তঃফসল
প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলুন।